Wednesday, July 9, 2014

সমুদ্র জয় না, মন জয়

ভারতের সাথে সমুদ্র সীমা মামলার রায় গত কাল সকালেই বাংলাদেশের হাতে পৌঁছে গেছে। ২৪ ঘন্টা প্রায় পার হতে চললেও সেই রায় নিয়ে এখনো কিছু বলছে না সরকারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এর কারণ হচ্ছে সত্যিকার অর্থে এই রায়ে আসলে কিছু নেই। কারণ শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলার আগেই বহুদিন ধরে বাংলাদেশের দাবি করে আসা ১৮ টির মধ্যে ১১ টি ব্লক ভারতকে দিয়ে দেয়। অর্থাৎ মামলার আগেই ভারতকে ১১ টা ব্লক দিয়ে দেয়া হয়। মামলা সাজানো হয় মাত্র সাতটা ব্লক নিয়ে। মামলার নথি থেকে অত্যন্ত গোপনে ১১ টি ব্লক বাদ দেয়া হয়। These blocks are - SS-01, SS-05, DS-09, DS-10, DS-11, DS-14, DS-15, DS-19, DS-20, DS-24 and DS-25. এগুলো প্রায় সবগুলোই তেল-গ্যাস সমৃদ্ধ মূল ব্লক। বাংলাদেশের ২০০৮ সালের দাবি থেকে গোপনে এসব ব্লক সরিয়ে মামলা করা হয়। মামলার আগেই এসব ব্লক ভারত পেয়ে যায়। কাজেই সমুদ্র সীমা মামলায় আসলে তেমন কিছুই আর নেই।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে ভারতীয় বিচারকের আদালত থেকে আসা রায়ে বাংলাদেশের কৌশলগত ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সমুদ্র সীমার ক্ষেত্রে। কিন্তু সেই বিষয় ধামাচাপা দিয়ে তথাকথিত 'সমুদ্র জয়' নামক নাটকের প্রস্তুতি কিভাবে নেয়া যায়, সেজন্যই রায় প্রকাশে দেরি হচ্ছে। তাছাড়া সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে সম্পূর্ন রায় সংবাদ মাধ্যমের কাছে দেয়া হবে না এখন। আওয়ামী মিডিয়াগুলোকে বলা হয়েছে, রায়ের কোন টেকনিকাল বিশ্লেষণ না ছাপতে অথবা না প্রকাশ করতে। তার বদলে 'সমুদ্র জয়' নামক শব্দগুচ্ছ ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ্য, বিবদমান একটি পক্ষ ভারত হলেও নজিরবিহীনভাবে এই মামলা ভারতীয় এক বিচারকের কাছেই দেয়া হয়। শেখ হাসিনার নির্দেশে দীপু মণি আন্তর্জাতিক আদালতে বিশেষ আবেদনের মাধ্যমে এই কাজ করে।
এখন  প্রশ্ন হতে পারে কি লাভ হল বাংলাদেশে কিন্তু অনেক লাভ হয়ে গেছে শেখ হাসিনার।  

আমরা জানি যে, যে জায়গা ভারত পেল সেটা কখন ভারতের ছিল না কিন্তু ঐ যে বলা হয় না বোকার ধনের উপর জ্ঞানীর অধীকার আছে। সেটা ঘটল এক্ষণ বাংলাদেশের ক্ষেত্রে।   

কংগ্রেসেকে হারানোর পর শেখ হাসিনা যে ভাবে বেসামাল হয়ে পড়েছিলেন কারন যাদের আস্রয়ে পস্রয়ে তিনি এতদিন থেকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রয়েছিলেন। কিন্তু মুধী সরকার আসার পর তার মন পাওয়ার জন্য বাংলাদেশের গুরুত পূর্ব বিশাল অংশ সমুদ্র তিনি চেড়ে দিলেন।
তাই আমার মনে হয়  যে রায়টি হল তাতে সমদ্র জয়ের পরিবর্তে মুধী সরকারে মনকে জয় করাটা  প্রাধান্য পেয়েছে।

    

Saturday, July 5, 2014

দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল


যখন আমি অনেক আশা নিয়ে নতুন কিছু দেখব নতুন কিছু শিখব বলে  টিভির সামনে হাতে রিমোট কন্ট্রোল নিয়ে বসি সংসদ অধিবেশন দেখার জন্য তখন মনের অজান্তে একটি কথা মনে পড়ে যায়। যখন সপ্তম শ্রেণীতে পড়তাম তখন আমাদের শিক্ষক একটা ভাব সম্প্রসারন পড়াতেন। নাম ছিল দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল। এখন এই কথাটি বারবার মনে পড়ে যখন দেখি আমাদের দেশের সরকার দল এবং অনেকে বলে গৃহপালিত বিরুধী দল সংসদে বসে।

সংসদের অধিবেশন চলাকালে অধিবেশন কক্ষে সংসদ সদস্যদের আচরণ কি হবে তা স্পষ্ট করা আছে সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে। এতে সংসদ সদস্যদের জন্য পালনীয় ১১টি নির্দেশনা রয়েছে। এসব নির্দেশনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই নবীন সদস্যদের। অন্যদিকে জেষ্ঠ্য সদস্যরাও প্রতিনিয়ত আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন।

আচরণবিধির (৩) নম্বর ধারায় রয়েছে, ‘সংসদের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এমন কোনো বই, সংবাদপত্র বা চিঠিপত্র পাঠ করিবেন না।
অধিবেশন কক্ষে প্রায় প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতায় চোখ বোলাতে থাকেন সরকার দলীয় জেষ্ঠ্য সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী।

অধিবেশন কক্ষে ঘুমানোর অভিযোগে ইতোমধ্যে আসন পরিবর্তন করে দেয়া হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুনের। ট্রেজারি বেঞ্চের প্রথম সারি থেকে সরিয়ে দ্বিতীয় সারিতে দেয়া হলেও তার ঘুম কাটছে না। একই অভিযোগ রয়েছে আরেক সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও সাবেক শ্রমপ্রতিমন্ত্রী বেগম মুন্নুজান সুফিয়ানের বিরুদ্ধে।

আচরণবিধির (৮) নম্বর ধারায় সংসদে বক্তৃতা ব্যতিরেকে নীরবতা পালনের নির্দেশ দেয়া হলেও কেউই তা মানেন না। সময় পেলেই দুই-তিনজন সদস্য এক জায়গায় বসে আড্ডায় মেতে উঠেন। কখনো কখনো নিজেদের মধ্যে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।
চলতি অধিবেশনে একদিন কক্ষের অভ্যন্তরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ও বরগুনা-১ আসনের সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু। পরে চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ এসে শম্ভুকে শান্ত করেন। এর আগে চিফ হুইপ বার্তা পাঠিয়েও তাদের থামাতে ব্যর্থ হন।

(৪) নম্বর ধারায় সভাপতি ও বক্তৃতারত সদস্যের মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আছে। কিন্তু বেশ কয়েকজন সদস্য এ আচরণবিধি মানেন না। এ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ ও স্বতন্ত্র সদস্যদের জোট সভাপতি হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

আচরণবিধির (১) নম্বর ধারায় সংসদে প্রবেশ করার বা সংসদ কক্ষ ত্যাগ করার সময় এবং তার আসন গ্রহণ বা ত্যাগ করার সময়ে সভাপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করার বাধ্যবাধ্যকতা রয়েছে।
কিন্তু অনেক সদস্য সংসদ কক্ষ ত্যাগ করার সময় ফ্রি স্টাইলে চলাচল করেন। অনেকে আবার পশ্চাতদেশ প্রদর্শন করে বেরিয়ে যান।

একজন আরেকজনের চেয়ারে বসা নিষেধ থাকলেও কখনোই ফাঁকা থাকে না জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের আসনটি। তার অনুপস্থিতিতে দলের জেষ্ঠ্য সদস্যদের অনেকেই ওই চেয়ারে বসে থাকেন। অন্য সদস্যদের চেয়ার নিয়েও এ ঘটনা হরহামেশাই ঘটে থাকে।
একজন অন্যজনের চেয়ারে বসার ঘটনায় স্পিকার শিরিন শারমীন চৌধুরী নবম সংসদের সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও এবার চুপচাপ। বাকি অন্যান্য আচরণবিধি ভঙের বিষয়টি রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।

কয়েক দিন আগে দেখলাম পানি নিয়ে কাড়াকাড়ি প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অনেকে বলে গৃহপালিত বিরুধী দলের নেতৃর মধ্যে। বিষয় হল যে কে বিদেশি পানি পান করেন আমার কে দেশি পান করেন। যে সংসদে জাতীর আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে কিন্তু সেটা না করে সেখানে পানি নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু করে দিয়েছেন দুই নেত্রী ।

গত কয়েক দিন আগে দেখলাম সাবেক পদ বিহীন মন্তী সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত খুব আক্ষেপ করে বললেন যে, বাজেট অধিবেশনে কিসের উপর আলোচনা ও বক্তিতা রাখব যেখানে যিনি বাজেট পেশ করলেন তিনি সংসদে উপস্তিত নাই। এই হচ্ছে আমাদের সংসদ আর সংসদ সদস্যরা।
পরিশেষে একটি কথা বলে শেষ করব। আমাদের দেশের যারা সংসদ সদস্য হয়েছেন তাদের মান মর্যাদা একটু বেশি বেড়ে গেছে সংসদ সদস্য হওয়ার পর । তাই তারা সব জায়গায় এবং সব অনুস্তানে যাওয়া সম্ভব হবে না সামাজিক মান মর্যাদার কথা চিন্তা করে।  তবে তাদের জন্য এই সংসদ একটি সুবর্ণ সুযোগ। 

একটু পরিষ্কার করে বললে আমাদের বুজে আসবে। আমাদের সংসদ সদস্যরা নির্বাচিত হওয়ার পর তাদের মান মর্যাদার জন্য বাউল সম্রাট মমতাজের  পালা গান যাত্রায় গিয়ে দেখা সম্ভব হবে না। তাই তাদের জন্য একটা সুবর্ণ সুযোগ যে সংসদের ভিতরে মমতাজের যাত্রা গান শুনতে পারবেন।
গত কয়েকদিন আগে সংসদের ভিতরে মমতাজের কনসার্ট দেখে অনেক ভাল লাগব। বাংলাদেশের সংসদের এই যেন এক নতুন মাত্রা যোগ হল।

কষ্ট লাগে এই জন্য যে,জনগনের ট্যাক্সের টাকায় air-condition রুমের মধ্যে বসে জাতীর সামনে তামাশা করা হচ্ছে বিনা ভোটে জয়ী সংসদ সদস্যরা।

তাই আমার কাছে মনে হয় যে, ‘দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল’  

Friday, July 4, 2014

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা না, আমি বাংলাদেশের সাপোর্টার

গত কয়েক দিন থেকে ওয়ার্ল্ড কাপ দেখতেছি। দেখতেছি সংবাদ পত্রে বিভিন্ন সংবাদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে অনেক আলোচনা সমালোচনা তর্ক বিতক।

প্রথমে একটু আলোচনা করি সংবাদ মাধ্যম গুলো নিয়ে, বিশ্ব কাপ শুরু হওয়ার অনেক দিন পূের্ব  থেকে আমাদের দেশের সংবাদ মাধ্যম গুলো বিভন্ন রকম সংবাদ প্রচার করে যাচ্ছে। কোন দল কি পরিকল্পনা করছে। কোন দল কোন দেশ থেকে জার্সি নিচ্ছে। কার প্রেমিকা কার সাথে ঘুরছে। কার প্রেমিকা কোথায় আছে। কার লাইফ স্টাইল কি ধরনের। কথার খাতিরে মেনে নিলাম যে কিছু সংবাদ প্রচার করা দরকার যা পড়ে অনেক কিছু জানা যায়। কিন্তু ফুটবলারদের প্রেমিকা কে, সে কি খাবার পছন্দ করে, কি কাপড় পচন্দ করে, কবে কোথায় তাদের দেখা হল, কার সন্তান কয়টা ইত্যাদি ইত্যাদি।

আমার কথা শুনে আপনাদের কাছে একটু অভাক হতে পারেন কিন্তু চিন্তা করেন যেমন আমরা মেসি খেলা দেখতে পচন্দ করি তাই তার খেলা দেখি কিন্তু তার প্রেমিকা কি করে, কি খায়, কি কাপড় পড়ে সেটা  আমাদের জানা কি খুব দরকারি।আমাদেরকে কি সংবাদ প্রচার করার উচিত ছিল না আমাদের নিজেদের ফুটবল নিয়ে। কিভাবে আমাদের ফুটবল কে উন্নয়ন করা যায়। আমি মনে করি এখনি সময় ফুটবল নিয়ে আলোচনা করার কারন এখন বাংলাদেশের তথা পৃথিবীর সবার নজর ফুটবলের দিকে। কিত্নু বাস্তব হলে সত্য যে আমাদের দেশের সংবাদ পত্র গুলো নিজের দেশের ফুটবল উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে ভাবে প্রচার করার কথা ছিল আমার মনে হয় সেটা করতে বার্থ হচ্ছে।

যারা ভিন্ন দেশের সাপোর্টার তাদের কাছে আমার কিছু  প্রশ্ন
এটা খুব ভাল যে বাংলাদেশের  ফুটবলের প্রতি আপনাদের ভালবাসা না থাকতে পারে কিন্তু ভিন্ন  দেশের প্রতি আপনাদের ভালবাসা টিকই আছে। লজ্জা লাগে যখন দেখি অন্য দেশের পতাকা নিয়ে আমরা বাস্ত থাকি কোথায় সে পতাকা উড়ানো যায়। কার পতাকা কত লম্বা। আচ্চা আপনিত আর্জেন্টিনা ব্রাজিল জার্মান নিয়ে এত পাগল তাহলে আমার নিচের কিছু  প্রশ্নের উত্তর কি আপনারা  দিতে পারবেন।
১। বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারের নাম কি বলতে পারেন ?
২। বাংলাদেশ দলের আধিনায়কের নাম কি জানেন ?
৩। বাংলাদেশ দলের দুজন  স্ট্রাইকারের নাম কি বলতে পারবেন ?
এই  রকম অনেক প্রস্ন আমি আপনাদেরকে করতে পারব কিন্তু আমি জানি আপনারা এমনকি আমি নিজেও উত্তর  দিতে পারব না।


আমার কথা  হচ্ছে বিশ্বকাপে আমরা  ভিন্ন দেশ সাপোর্ট করেতে পারি সেটা কোন সমস্যা না কিন্তু এখন কি উপযুক্ত সময় নয় কি একবার হলে চিন্তা করার, কিছু লেখার, কিছু কথা বলার আমাদের দেশের ফুটবল নিয়ে। আমরা কি সারা জীবন আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের খেলা দেখে শান্তি পাব না নিজের  দেশকে আর্জেন্টিনা ব্রাজিলের পাশের খেলতে দেখতে শান্তি পাব। সিদান্ত আমাদেরকে নিয়ে হয়ে। 


MD SAIDUR RAHMAN 
FREELANCE JOURNALIST & ONLINE ACTIVISTS 



Tuesday, July 1, 2014

শেখ হাসিনার এই কথা কোনো শিশু বা উন্মাদও বিশ্বাস করবে না ।

গত কয়েক দিন আগে সুইজারল্যান্ডের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গতবছর যারা ওদেশের ব্যাংকে গোপন অ্যাকাউণ্ট করে টাকা রেখেছেন তাদের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়। জমাক্রিত মোট টাকার পরিমান ৩২৩৬ হাজার কোটি টাকা। এই বিশাল অঙ্কের টাকা সুইস ব্যাংকে কারা জমা রাখলো, বলে না দিলেও সেটি বুঝতে কারও অসুবিধা হয়নি। আমাদের প্রধান মন্তী শেখ হাসিনার কথাই  সেটা  প্রমান হয়েছে। গত ২৭ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা সুইস ব্যাংক থেকে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনা সম্পর্কে বলেছেন, এটা নিশ্চিত যে, তারা যে পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন তাতে খালেদা জিয়াসহ তার দুই ছেলে এই অর্থ পাচারকারী হিসেবে ধরা পড়বেন রেফারেঞ্চ হচ্ছে (ডেইলি স্টার, ২৮/০৬/১৪)।

সুইস ব্যাংকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা পড়েছে গত এক বছরে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যদি সত্য হয়, তাহলে গত একবছর ধরে বেগম খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলে সারা দেশে বিপুল মাত্রায় লুটপাট করেছেন। আর সে অর্থ নিয়ে জমিয়েছেন সুইস ব্যাংকে। শেখ হাসিনার এই কথা কোনো শিশু বা উন্মাদও বিশ্বাস করবে না। তিনি বলেছেন, সুইস ব্যাংকে যারা টাকা জমিয়েছেন, তাদের তালিকা শেখ হাসিনার কাছে এসে পৌঁছেছে। এটি এক অসম্ভব, অকল্পনীয় ব্যপার। সুইস ব্যাংকে যারা টাকা রাখে তাদের সঙ্গে ব্যাংকের শর্তই থাকে যে, কস্মিনকালেও তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের হিসাব কেউ জানতে পারবে না। আজ পর্যন্ত তা পারেওনি। এ নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সুইজারল্যান্ডের অনেক টানাপড়েন চলেছে। কিন্তু সুইস সরকার কিছুতেই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। পৃথিবীর বহু দেশের একনায়কেরা তাদের লুণ্ঠিত টাকা সুইস ব্যাংকে জমা রেখেছিলেন। কিন্তু সে টাকা তুলে ভোগ করতে পারেননি। কার্যত ব্যাংকগুলোই তার মালিক হয়ে গেছে। শেখ হাসিনা যদি তালিকা হাতেই পেয়ে থাকেন, তাহলে সুইস ব্যাংকে অর্থ জমাকারীদের নাম, ঠিকানা প্রকাশ করছেন না কেনো।  আসলে বিগত সাড়ে পাঁচ বছরে এই সরকারের মন্ত্রী, এমপি, নেতারা যে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছেন, হাজারগুণ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন, তাদের টাকাই যে সুইস ব্যাংকে জমা হয়েছে এটি নিশ্চিত করে বলা যায়। শেখ হাসিনার দুর্নীতিবাজ তোষণ নীতিও তার প্রমাণসুতরাং  ভারতের মত বাংলাদেশে যদি সুইচ বাঙ্কে যারা টাকা  রেখেছেন তাদের যদি একটি  তালিকা  প্রকাশ হত তাহলে দেখতে পারতাম কারা  দুর্নীতিবাজ আর কারা দেশ প্রেমিক।
  

Saturday, June 28, 2014

ধন্যবাদ শামীম ওসমান।

আজকে অনেক দিন পরে একটা বিষয়ের কাছে আকটে পড়লাম। মনে মনে চিন্তা করলাম যে আমার বিভেক জাগ্রত হওয়ার পর চেষ্টা করেছি অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। যারা অন্যায় করেছে তাদের বিপক্ষে কথা বলেছী অনেক লেখা লেখিছী। কিন্ত যার অন্যায়ের প্রতিবাদ করলাম এত দিন পরআজ তার একটি কথা শুনে আকটে গেলাম। নিজের কাছে আশ্চর্য লাগল যে, এত দিন আমি যার বিরদ্ধে লেখলাম কিন্ত আজ তার কথা শুনে তাকে নিয়ে আমাকে লিখতে হচ্ছে।
আজকে শামীম ওসমান সংবাদিকদের উদ্দেশে যে কথা গুলো বললেন আমি তা পড়ে হতভাক হয়ে গেলাম। চিন্তা করলাম যে কথা গুলো তিনি বলেছেন তা তো সত্যি। হতে পারে  শামীম সন্ত্রাসী অন্যায় করি কিন্ত সে যে কথা গুলো  বলেছে তার মাঝে যুক্তি অনেক আছে।
আজ তিনি সংবাদিকদেরকে কুকুর বললেন। এটা শুনে আপনারা হয়ত অভাক হয়ে  যাবেন যে তিনি কিভাবে এটা বললেন। সংবাদিকদের এত অপমান এটা তো সহ্য করা যায় না। কিত্নু আপনি যখন নিচের কথা গুলো পড়বেন দেখবেন সত্যি কিছু মিল রয়েছে। কিভাবে রয়েছে চলুন একটু আলোচনা করি।  

দৈনিক ইনডিপেনডেন্ট ও ইনডিপেনডেন্ট টিভির মালিক হলেন বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রাহমান।যার বিরুদ্ধে অভিযোগ এবং প্রমান আছে যে তিনি শেয়ার মার্কেট থেকে ২৩ হাজার কুটি টাকা আত্মসাৎ বা চুরি করেছেন।যেই আলোচনা টা আমরা বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে দেখেছি এমনকি সংসদদের ভিতরে এই বিষয় নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হয়েছে। কিন্তু সরকার বা আইন কোন কিছু করতে পারেনি এমনকি কিছু কিছু সংবাদ পত্র কোন সংবাদ প্রচার করেনি সালমান এফ রাহমানের শেয়ার মার্কেটের টাকা আত্মসাৎ করার জন্য।
এই রকম অনেকে আছেন যে, নিজের দুই একটি মিডিয়া আছে এবং তার উপর ভর করে অন্যায় অপকর্ম করে যাচ্ছেন যা কেউ জানছে না।

সংবাদিক ভাইদের ব্যাপারে কিছু লেখী।  বিগত এক বছর আগে  দিগন্ত টিভি এবং ইসলামীক টিভি, দৈনিক আমার দেশ বন্ধ করে দিল সরকার। কিন্তু আপনাদের তো দেখলাম না একটি আন্দোলন করতে কেন এই মিডিয়া গুলো বন্ধু করে দেওয়া  হল। আপনাদেরকে দেখালাম না এক ঘণ্টা ধর্মঘট করতে  বন্ধ মিডিয়া গুলো খুলে দেওয়ার জন্য। আপনারা যেমন আপনাদের পরিবার,ছেলে মেয়ে লালল পালন করেন সংব্বাদিকতা চাকরী করে একটি মিডিয়া অধীনে  কাজ করে তেমনি তারা তো তাদের ছেলে মেয়েকে লালল পালন করত বন্ধ এই মিডিয়া গুলোতে চাকরী করে।
সুতরাং মিডিয়ার  মালিকের কথা শুনে আপনারা যদি আপনাদের সংবাদিকতার আদর্শ থেকে সরে দাঁড়ান চাকরির লোভে টাকার লোভে তাহলে তো শামীম ওসমান যা বলেছে সেটা টিক। শামীম ওসমানের দুর্নীতির কথা আপনারা বড় বড় হেড লাইনে লিখতে পারেন তাহলে ২৩ হাজার  কুটি টাকা  সালমান এফ রাহমান  আত্মসাৎ বা চুরি করে ফেলল আপনারা কেও কোন রিপোর্ট করলেন না। কেন অন্যায়ের বিরদ্ধে নিজের মাথা উঁচু করে দাঁড়ালেন না।


তাই এখনো সময় আছে  নিজের আত্তার কাছে নিজেকে দাড় করার, সত্য কথা তুলে দরুন। শামীম ওসমানের মত মানুষ আপনাদেরকে কুকুর না বলে সে যেন বলে বাংলা সাহসী সন্তান। আপনাকে গালীর পরিবর্তে সে যেন সালাম দেয়।

Friday, June 27, 2014

শামীম ওসমান কি তাহলে জামাতের নেতা ছিল ?

নিচের এই ভিডিওটি আমাদের মাননীয় প্রধান মন্তী শেখ হাসিনার। তিনি বললেন জামায়াত বিএনপির অনেক সন্ত্রাসী দল পরিবর্তন করে আওয়ামীলীগে, ছাত্রলীগে যুবলীগে যোগ দিচ্ছেন এবং সন্ত্রাসী কর্ম কাণ্ড করে সরকারের এবং আওামীলিগের ক্ষতি করেছেন। 

তাহলে প্রশ্ন আসে মাননীয় প্রধানমন্তী শামীম ওসমান কি জামাতের নেতা ছিল,শাত খুনের আসামী নুর হোসেন কি জানাতের বা বিএনপির নেতা ছিল, আওয়ামীলীগ নেতা একরাম এবং তার হত্যা কারিরা কি জামাতের নেতা কর্মী। মিল্কী এবং মিল্কীকে হত্যা কারি কি জামাতের নেতা ছিল।

গ্রামে রাতের আধারে মানুষ যখন একা হাটে তখন উচু শুরে গান গায় যাতেসে নিজেকে সাহসী মনে করে। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর অবস্তা কি তাই হয়েছে।

যখন আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী ওকের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে তখন সাহস জোগানোর জন্য কি তিনি এমন বলতেছেন ?